ব্যাকগ্রাউন্ড

ফেইসবুকে!

নিহত আবরার - সিলেকটিভ মানবতা ও বিচার

খবর: 

দৈনিক প্রথম আলোর কিশোর ম্যাগাজিন ‘কিশোর আলো’র অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিক্ষার্থী আবরারের মৃত্যুর সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবিসহ ৪ দফা দাবিতে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা দাবি পূরণের জন্য ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন। শনিবার দুপুরে নিহত আবরারের সহপাঠিরা এ আল্টিমেটামের ঘোষণা দেয়।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো- ১. ঘটনা চলাকালীন সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ দেখাতে হবে, ২. অনুষ্ঠানের মিস ম্যানেজমেন্টের দায় স্বীকার করে কিশোর আলো, ইভেন্ট অর্গানাইজার, আয়শা মেমোরিয়াল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের লিখিত বক্তব্য দিতে হবে, ৩. ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট ছাত্রদের হাতে পৌঁছাতে হবে, ৪. শুধু দুর্ঘটনা নয়, তাদের গাফিলতি, অব্যবস্থাপনা এবং উদাসীনতা উল্লেখ করে পত্রিকায় বিবৃতি দিতে হবে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার ঢাকার মোহাম্মদপুরে রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে কিশোর আলোর অনুষ্ঠানে উপস্থিত একই স্কুলের নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থী নাইমুল আবরার রাহাত (১৫) অনুষ্ঠান চলাকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যান।

খবর তো জানলেন! এরপর কি হলো ? 
দু:খ প্রকাশ করলো আনিসুল সাহেব! পাশে আছি , পাশে থাকবোর মতো ভুয়া কিছু বাক্যও ছিলো সেখানে। 

দুর্ঘটনাতে মানুষের মৃত্যু হলে কার কি করার আছে সুতরাং দু:খ প্রকাশই তো যথেষ্ট তাই না? ভাই একটু শুনেন, রানা প্লাজাতেও তো রানা বিল্ডিং ফেলে দেয়নি! নাকি দিয়েছিলো? তার বিচার কেন চাইতে হয়! বা বিচার দরকার ? কারণ সেটা আইনের বিচারে অপরাধ ছিলো রানার , সে বিল্ডিং কোড মানেনি যা অপরাধ। আবরারের ক্ষেত্রেও তাই আয়োজকরা নিরাপত্তা বিধি না মানবার কারণে বিচারের আওতায় আসতে বাধ্য। এইটাই বিচারের ভাষা ও মানবিকতার ভাষা হওয়া দরকার। 


একটা বাচ্চার মৃত্যুর পর তার সহপাঠিদের সাথে নিয়ে গানবাজনা করবার মতো অমানবিক কাজ করাও হয়েছে ওখানে! কিভাবে সম্ভব কোন সুস্থ মানুষের পক্ষে এই কাজ! পিচাশ না হলেতো সম্ভব না এসব। এরাই আবার মানবিকতার ঝুলি খুলে বসেছে। ধিক্কার এদের প্রতি। এদের সাপোর্ট করাদের প্রতি ধিক্কার। এর বিচার যে চাইলেন না ! তার ফল একদিন পাবেন। অবশ্যই পাবেন। 

সিলেনকটিভ মানবতা ও বিচার একদিন আপনার উপরও আরোপিত হবে। সেই দিনের অপেক্ষাতে রইলাম। 

ছবি
সেকশনঃ সাধারণ পোস্ট
লিখেছেনঃ দুরন্ত.. তারিখঃ 08/11/2019 03:29 PM
সর্বমোট 70 বার পঠিত
ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুণ

সার্চ