ব্যাকগ্রাউন্ড

ফেইসবুকে!

নির্বাচনের ডামাডোলে কি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর কোটা বাতিল জায়েজ হয়ে যাবে!!!

সামনে নির্বাচন! যদিও আমি যেখানে থাকি সেখানে নির্বাচন নিয়ে খুব একটা আলোচনা নেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক দিন ধরেই অনুপস্থিত থাকবার কারণে সেখানকার পন্ডিত ও গেণীদের কথাও জানতে পারিনা খুব একটা। সুযোগ নিজেই রহিত করেছি নির্লজ্জতা, মানসিক অসুস্থতা ও ভন্ডামীর হাট দেখে সেখানে। যাই হোক, যা নিয়ে লিখবো বলে এখানে ঢু মেরেছি সেটাতেই থাকি। 

কোটা বাতিল বা সংস্কারের নামে অনেয্য ও চরম ফেসিবাদী একটা ঘটনা আন্দোলনের নামে অধুনা সংগঠিত হয়েছে। এই আন্দোলন নামের ছোটলোকীর মূল শিকার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর (প্রতিবন্ধি সহ) বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্ম। সরকারী চাকরীতে সুবিধা পাওয়া রহিত করবার এই আন্দোলনে ডান, বাম সহ তাবত সুবিধাভোগী সহ সরকারী ও বেসরকারী রাজনৈতিক দলের ছাত্রকর্মীরা একভাবে কথা বলেছে। যদিও সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী বিশেষ করে মতিয়া চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং এর বিরোধীতা করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত চারদিকের চাপে কোটা বাতিল করা থেকে আর পিছিয়ে আসতে পারেননি। আন্দোলনটার ভিতর বাহির যদি দেখা যায় তবে এর ভিতরে শিবির ও বাহিরে বামেরা সক্রিয় ছিলো, আর এর পুরোটা জুরে ছিলো মধ্যবিত্ত শ্রেণীর সুবিধাভোগীরা। 

সামনে নির্বাচন। কোন সংগঠনের বা রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহারে এই পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর কোটা পুনর্বহালের জন্য কোন প্রকার শব্দ উচ্চারিত হয়নি। বামদের এই বিষয়ে অবশ্য বলা না বলা সমান। নাকি সুরে আমরা বাতিল নয় সংস্কার চেয়েছি বলেই তারা একটা গেনী ভাব নিয়ে তাকাবে আপনার দিকে ! আপনি একটা আকাট মুর্খ এটা বোঝাতে, আর কে না জানে - গেনীদের সাথে তর্কে যেতে নেই, তাদের দুর হ বলাটাই শ্রেয় কাজ। ঐক্যফ্রন্ট নামের নির্বাচনী জোটে জামাতিরা আছে, ওখানেও তাই আশা করাটা ঠিক না। ক্ষমতাসীন দলের ইশতেহারেও আসবে না এসব কারণ বাতিল তারাই করেছে এবং সেটাও করেছে আন্দোলনটা নির্বাচন সামনে রেখে জমানো হয়েছে বলেই। আগেই বলেছি কারা এর বাতিল করতে ইচ্ছুক ছিলো না। 

তাহলে দাড়াচ্ছে এই পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য আসলে কেউ নেই। সরকার হার্ড লাইনে এই আন্দোলন দমন করতে চায়নি নির্বাচন সামনে রেখে, তাই দাবী মেনে নিয়েছে। যারা সংস্কার চেয়েছে বলে দাবী করে তারাও আসলে এটা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে যে তারা সংস্কার চায়। তারা আসলে মধ্যবিত্ত সুবিধাভোগী মানসিকতার এটা এখানে প্রমাণিত। আমরা ধরে নিতে পারি এই অনেয্য বিষয়টা নির্বাচনের ডামাডোলে জায়েজ হয়ে গেলো। জঙ্গি ডান ও বামদের সম্মিলিত জোটের কল্যাণে পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর সামনে আজ কিছুটা হলেও অন্ধকার। তারা তৃতীয় শ্রেণীর চাকরীর জন্য সুবিধা পাবে। এমনিতেই পশ্চাদপদ জনগোষ্ঠীতে জন্ম নিয়ে একটা অপরাধ করেছে তার উপর চাকরীতেও তৃতীয়শ্রেনীর চাকরীর জন্য সরকারী আনুকুল্য পাবে। তারা এখন বলতেই পারে ---

জন্মই তাদের আজন্মের পাপ 

ছবি
সেকশনঃ সাধারণ পোস্ট
লিখেছেনঃ দুরন্ত.. তারিখঃ 28/11/2018 09:41 PM
সর্বমোট 104 বার পঠিত
ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুণ

সার্চ