ব্যাকগ্রাউন্ড

ফেইসবুকে!

"আমি বুুদ্ধিজীবি শব্দটার উপযুক্ত ব্যবহার চাই"

 
স্যালুট ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ এর সেই সব বুদ্ধিজীবিদের যারা দেউলিয়া বুলেটের সামনে বুক চিতিয়ে মরতে শিখেছিলো কিন্তু জবান বিক্রি করেনি। অথচো স্বাধীনতার ৫০ বছরের প্রাক্কালে গঞ্জের হাটে গুড়া মাছ কেনা কঠিন হলেও মিডিয়ার হাটে টক শো এর জন্য বুদ্ধিজীবি কেনা খুব সহজ। মিডিয়া পাড়ায় প্রতিদিন বুদ্ধিজীবির হাট বসে। আমি বুুদ্ধিজীবি শব্দটার উপযুক্ত ব্যবহার চাই। স্বাধীনতা বিরোধী যত বড় জ্ঞানী'ই হোক না কেন তাদের আমি খুব সহজেই বুদ্ধিজীবি মনে করিনা।

দ্ধভূমির প্রতিটি লাশে ছিল আঘাতের চিহ্ন। কারও কারও চোখ, হাত-পা বাঁধা। মুখ থুবরে পরেছিলো ইটের স্তুপে। কারো কারো শরীরে ছিলো একাধিক বেয়নেট ও গুলির চিহ্ন।অনেককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল।কারন তারা বেঁচে থাকলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ নিশ্চিত মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।কারন তারা সমাজের কমিশন ও ঘুষ মার্কা কোনো বুদ্ধিজীবী ছিলেন না।

রাও ফরমান আলী এ দেশের ২০ হাজার বুদ্ধিজীবীকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন।কিন্ত এই পরিকল্পনা সফল হয়নি।হত্যাযজ্ঞ চালানো সম্ভব হয়নি।যদি সম্ভব হতো তাহলে আজীবন এই দেশকে ভিক্ষার ঝুলি হাতে বিভিন্ন দেশের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হতো।আর সেই সুযোগে পাকিস্তান পন্থি এ দেশের সুুবিধা বাদীরা এই ব্যর্থতার উদাহরন টেনে তাচ্ছিল্যের সাথে বলতো-"কি লাভ হলো এ দেশ স্বাধীন করে?"আর বত্রিশ দাঁত কেলিয়ে হা'হা'হা' করে হাসতো।আর এভাবেই পাকিস্তানি লেজুড়বৃত্তি দিন দিন বৃদ্ধি পেতে থাকতো।আর এদেশের সংখ্যা গরিষ্ঠ মুক্তিকামী মানুষ হতো উপহাসের পাত্র কিংবা জোকার।

যদি বুদ্ধিজীবী, বঙ্গবন্ধু, জেল হত্যা ও কর্নেল তাহের হত্যা সংগঠিত না হতো তবে কখনোই এ দেশে পাক- দোসর ও পাকিস্তানি দালালরা সক্রিয়ভাবে রাজনীতি করবার সাহস পেতনা।আর এই দালালদের রাজনৈতিক পথ সুগম ও অবমুক্ত রাখতেই এ দেশে বার বার নায়কদের হত্যা করা হয়েছে।তা কেউ স্বীকার করুক আর না করুক কিন্ত এটাই চির সত্য।

ছবি
সেকশনঃ মুক্তিযুদ্ধ
লিখেছেনঃ বহুব্রীহি ও আমিত্ব তারিখঃ 14/12/2020
সর্বমোট 83 বার পঠিত
ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুণ

সার্চ