ব্যাকগ্রাউন্ড

ফেইসবুকে!

রাজনীতিতে Politics প্রিয় স্বদেশে। কিন্তু বুঝে না ছোট ছোট মৌলভীরা।

এই মাত্র কিছু দিন আগেও এই হেফাজতের সাথে সরকারের কুটুম কুটুম ভাব ছিলো। তবে এই ভাবের আগে কিন্তু শাপলা চত্বরে বাঁশ ঢলা দিয়ে ছিলো আওয়ামী লীগ। সেইদিন হেফাজত কোনো হেফাজত করেনি কোমলমতি শিশুদের। অসংখ্য মাদ্রাসায় চার দেয়ালে বলৎকার এবং গরুর মত পিটানো হেফাজত কওমীদের সিনেমার পার্ট। তবে শাপলা চত্বরে এতিম শিশুদের দিয়ে বাণিজ্য হেফাজত ভালোই করেছে। কিছু নাম গোত্রহীন এতিম শাপলা চত্বরে মরে তাজা ষাঁড়ের বলৎকার হতে রক্ষাও পেয়েছে। বিনিময় সাবেক সভাপতি পুত্র পেয়েছে সরকার হতে জায়গা জমি ও টাকার খনি। হেফাজতের আসল চেহারা। দুর অতীতঃ এখন হেফাজতে জড়িত বেশ কয়েকটা ইসলামী রাজনৈতিক দল। এরা একসময় বিএনপির সাথে জোটে ছিল তখন আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী আন্দোলন করেছে। এরপর ক্ষমতায় আসে বিএনপি জোট সরকার তারপর মনে হয় হালুয়া রুটির ভাগে বনাবনি না হওয়ায় বিএনপি জোট ত্যাগ করে। সবচেয়ে মজার বিষয় ইসলামী দল ভেঙ্গে এক অংশ আবার আওয়ামী লীগের সাথে জোটও করে। তারপর বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেক জল গড়িয়েছে। বিএনপি রাস্তায় রাস্তায় ঘেউ ঘেউ করে পাপ মোচন করতেছে। কিন্তু এইসব ইসলামী দল দেশের রাজনীতিতে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ এখন। নিকট অতীতঃ হঠাৎ করে গজে উঠলো হেফাজত । শাপলা চত্বর সম্পর্কে সবাই জানে। সরকার বলে কিছুই হয়নি আর বিপক্ষকারি বলে শত শত লাশ পড়েছে। তবে সত্য হলো লাশ না পড়লে হেফাজত শাপলা চত্বর ছাড়তো না সরকার নাকানি চুবানি খেত। কিন্তু আমরা পরে দেখেছি হেফাজত ও সরকার চরম ধাক্কাধাক্কির ভিতর হয়ে গেল একে অপরের ভালো বন্ধু। কিছু হেফাজতি নেতা সরকারের কোলে বসে হালুয়ারুটি খেতে খেতেই মাননীয প্রধানমন্ত্রী হয়ে গেলেন কওমী মাতা। লাভ হলো হেফাজত নেতাদের কিন্ত লাশ হলো এতিম কওম। কি সুন্দর! হেফাজতি মৌলভীদের পলিটিক্স। সেই সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হেফাজতের মোল্লাদের সাথে বসে ঘোষণাও দিলেন দেশ চলবে মদিনা সনদে। কিন্তু এখন কি হলো। বিএনপিঃ মাঠে নাই ঘাটেও নাই। মাঝে মাঝে উপনির্বাচনে হাজির হয়ে পার্থী আর উনার বউয়ের ভোট পায় আবার এর জন্যও নিজেরা নিজেরা করে কাদা ছুড়াছুড়ি। বিএনপিকে সরকার তারপরও ভয় পায় যদি বিএনপি সোজা হয়ে দাড়িয়ে যায়। যদিও এটা আদৌ সম্ভব না এমনিতে আবিষ্কার হয়েছে রাতের ভোট, অনুগত নির্বাচন কমিশনের দক্ষতায়। হামলা, মামলা, গুম, খুনে বিএনপি আরো ত্রিশ বছর পরও সোজা হবে না। এইদিকে জামায়াত রাজাকারের বদনাম মুক্ত হতে পারিনি এখনো। তাদের এতই করুণ দশা সরকার তাদের দল ভেঙে কোমরও ভেঙ্গে দিশাহারা করে দিয়েছে । তাই জামায়াত ঘোষণা দিয়েছে ত্রিশ বছর দলীয়ভাবে কোন নির্বাচন করবে না। জাতীয় পার্টি ও বাম দল এখন নাক ডুবিয়ে গোয়ালে খেতে আছে।তারপরও সরকার ভয়ে আছে। আজই ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঘোষণা দিয়েছে মানব অধিকার লঙ্ঘন ও গণতন্ত্র হরণকারীদের প্রতি অবরোধসহ আরো বিভিন্ন পদক্ষেপ নিবে। ভাস্কর্য ও মূর্তি নিয়ে সরকার ও হেফাজতের মাঠ গরম এটা দুই বন্ধুর ডায়লগ বিনিময় মাত্র। এতে হেফাজত এবং সরকার উভয় পক্ষ লাভবান হবে। মরবে শাপলা চত্বরের মত এতিম কওম। এতে হেফাজত পাবে আগের মত জায়গা-জমি ও বাড়ি-গাড়ি আর টাকার খনি। সরকার ঘোষণা করেছে ভাস্কর্য বানাবেই আর হেফাজত বলেছে মূর্তি ভাঙ্গবেই। মনে হয় এটা সরকার এবং হেফাজতের ভিতর সমঝোতা করা হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সরকার বিভিন্ন দেশের কাছে বার্তা পাঠিয়েছে যে মৌলবাদী মাথা ছাড়া দিয়ে উঠেছে তাদের সাহায্য লাগবে। ইতিমধ্যে আবার জঙ্গীও ধরা হয়েছে । আর পশ্চিমারা মৌলবাদীর নাম শুনলেই বমি করে। তাই সরকারকে সাহায্য করবেই। আওয়ামী লীগ বিদেশীদের বুঝাতে চায় তারাই সন্ত্রাস এবং জঙ্গী দমনে একমাত্র উপযুক্ত দল। আপনারা যারা হেফাজত হেফাজত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তোলে মরতে প্রস্তুত হচ্ছেন তারা গোবর মাথায় নিয়ে হৃদয়ে ইসলামের আগুনে জিহাদ করতে তৈরী হচ্ছেন তারা বিভিন্ন নদীতে লাশ হয়ে ভাসবেন কিংবা ডাস্টবিনে পচবেন। আগের মত সরকার অনুগত সমস্ত বাহিনী মাঠে নামবে অবুঝ হুজুরদের পিটিয়ে বড় হুজুরদের ঠান্ডা করবে।

ছবি
সেকশনঃ সাম্প্রতিক বিষয়
লিখেছেনঃ এফ মহী ভূঁইয়া তারিখঃ 29/11/2020
সর্বমোট 121 বার পঠিত
ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুণ

সার্চ