ব্যাকগ্রাউন্ড

ফেইসবুকে!

অনলাইনে বাংলা সাহিত্য চর্চা

অনলাইনে বাংলা সাহিত্য চর্চা ও বিভিন্ন সাহিত্য গ্রুপ মোঃ এনামুল হক ********************************************* ********************** বর্তমান এই ডিজিটাল যুগে অনলাইনে সাহিত্য চর্চা বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে বলতে গেলে অনেক খারাপ কাজ থেকে বাঁচিয়ে রেখেছে। কেননা ইন্টারনেটের এ যুগে অনেক তরুণ যেখানে পর্ণ সাইট নিয়ে ব্যস্ত সেখানে অধিকাংশ তরুণ ব্যস্ত আছে সাহিত্য চর্চা নিয়ে। এটা আমাদের বর্তমান প্রজন্মের জন্য অনেক শুভ লক্ষণ। তবে সাহিত্য চর্চার জন্য যেমন চর্চাগামী তরুণ যুবক রয়েছে তেমনি অন্যের কবিতা নিজের নামে চালানোর মতো চোররাও বিদ্যমান। তবে এরা সাহিত্য জগতে উজ্জল নক্ষত্র হতে পারে না। কেননা এরা সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য অন্যের লেখা চুরি করে। আর একসময় ঝড়ে পড়ে। কাজই এরা কখনো সৃষ্টিশীল মনা হতে পারে না। কেননা এরা নকলের উপর নির্ভর করে পরীক্ষায় পাশ করেছে আর সে অভ্যাসটা আজো তাদের মাঝে বিদ্যমান রয়েছে। নকলে ধরা পড়লে এদের যেমন লজ্জা হয় না তেমনি কবিতা চুরি করে ধরা পড়লে এদের লজ্জাবোধ করে না। সাহিত্য চর্চায় অনলাইনে বিশেষ করে ফেইসবুকে বিশাল একটা প্লাটফর্ম তৈরি হয়েছে। অনেক প্রতিভাবান কবি বেড়িয়ে আসছে। আবার অনেক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানও তাদের নিজেদের প্রকাশনার অ্যাড কবিদের ইনবক্সে করে আসছে। ফলে পূর্ব। যেখানে বই প্রকাশের জন্য যেমন নিউজপেপারে বিজ্ঞাপন দেয়া হতো এখন আর তা করতে হয় না। বিধায় অনেকের বিজ্ঞাপনবাবদ টাকা বেঁচে যায়। বেশির ভাগ দেখা যায় অনেক প্রকশনা প্রতিষ্ঠান প্রতারণা করে। যাহাতে একজা উদীয়মান কবির মৃত্যু ঘটে। ঘটেছেও। আমি নিজেও একজনভুক্তবোগী । সূর্যোদয় পাবলিকেশন্স ৩৩/৩৪ নর্থব্রুক হল রোড, আর সত্বাধীকারী হলো টুটুল আহমেদ। আমারো এমন অবস্থা হয়েছে। তবে লেখালেখি ছাড়িনি। চালিয়ে গিয়েছি। এখনো চলছে। সময়ের হাত ধরে সাহিত্য চর্চা অনলাইনে ব্যপক বিস্তার লাভ করেছে। প্রকাশক ও লেখকদের মধ্যে সুন্দর একটি যুগসূত্র তৈরি করেছে। পাশাপাশি অনেক দক্ষ ওঅভিজ্ঞ কবিগণের আগমন গঠেছে অনলাইনে। সেই সুযোগে বেড়েছে অনেক শিক্ষকের। যারা বিভিন্ন সময়ে কবিতার উপর ক্লাস করান। যাই হোক কবিতা সমাজের দর্পন। বিধায় সমাজের সঙ্গতি অসঙ্গতি তুলেরধরার চেষ্টা করেন কবিগণ। কবিতার ভাষা কেমন হবে, শব্দচয়ন কেমন হবে তা নির্ভর করে যিনি কবিতা জন্ম দেবেন বা যিনি গল্প বা উপন্যাস সৃষ্টি করবেন। কবিতার সা্মর্ম, ভাবার্থ যিনি কবিতাটি লিখেছেন তার চাইতে আমরা ভাল বলতে পারবো না। তবে কবির কবিতা পড়ে আমরা তা অনুধাবন করার চেষ্টা করতের পারি। সাহিত্য চর্চা পুতুল খেলা নয়। অনলাইন সাহিত্য চর্চার ক্ষেত্রে বিশেষ ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে বিভিন্ন সাহিত্যগ্রুপ বিদ্যমান। এসকর গ্রুপে প্রতিদিন নবীন পররবীণ কববগন কবিগন লেকা পোষ্ট করেন। বিভিন্ন গ্রুপে রয়েছে প্রতিযোগিতা আয়োজন। দৈনিক, সাপ্তাহিক স্মানমাসিক, মাসিক প্রতিযোগিতা। বিভিন্ন গ্রুপে অনেক সময় নবীন কবিগণের কিচিরমিচির আনাগুনা দেখা যায়। আবার তারা হারিয়ে যায়। এর কারণ গঠনমূলক সমালোচনার চাইতে তাকে একটি গন্ডির মধ্যে নিয়ে আসার চেষ্টা করা। বিশেষ করে ব্যাকরণের নিয়মে তাকে আটকে ফেলা। একটি শিশু যখন কথা বলা শেখে তখন আমরা তা ব্যাকরণের নিয়মের মধ্য ফেলে দেই না। দিলে সে কথা বলা যেমন বন্ধ করে দেবে তেমনি একজন নবীন কবিকে যদি সেরকমআচরণে ফেলার চেষ্টা করা হয় তার অবস্থা তেমন হবে। এটি হচ্ছে বাস্তবতা। বিভিন্ন সাহিত্য গ্রুপে দেখা যায় যে বিভিন্ন পিন পোষ্ট রয়েছে। এই পিন পোষ্টে দেখা যায় যে, রাজনৈতিক সবধরণের পোষ্ট নিষিদ্ধ। তারমানে দেখা যায় যে প্রতিবাদনির্ভর কোন কবিতা রচনা করা যাবে না। প্রতিবাদ নির্ভর কোন কবিতা রচনা করলে আপনি শিবিরমনা অথবা রাজাকার। প্রশ্ন থাকে একপক্ষ কি স্বাধীনতা রক্ষার হতিয়ার। মনে হয় না। যুদ্ধ বিভিন্নভাবে করাহয়েছে। সমর্থন, গায়কি, কবিতা রচনা করে যুদ্ধ করা হয়েছে। আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবিতা রচনা করে তিনি বিদ্রোহী কবি হয়েছেন। তিনি কার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন। অনেক গ্রুপ কবিতা এপ্রুভ করেন না প্রতিবাদী কবিতা। ভয় মনে নিয়ে সাহিত্য চর্চা করা সম্ভব নয়। কবিতা সমাজের দর্পন হলে বিদ্রোহ করতে হবে। এটা প্রত্যেক কবির বা লেখকের নৈতিক দায়িত্ব। কবিতা এপ্রুভ করা হবে না ডিলিট করা হয়েছে বলে আমার ইনবক্সে একটি গ্রুপ ম্যাসেজ দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে। এটা সাহিত্য চর্চার কোন নিয়ম হতে পারে না। আমাদের দেশে একটা প্রচলিত নিয়ম রয়েছে। নানান মতের নানান দলের সমাহার বাংলাদেশে।মতের অমিল হলেই একটি দল বা একটি সংগঠন। চলুক বা না চলুক দল বা সংগঠন থাকবেই। এতে করে মুক্তচিন্তার বাক স্বাধীনতা হরণনহয়। তেমনি আমার মনে হয় অনলাইনে সাহিত্য চর্চার ক্ষেত্রে তেমন করে অনেক গ্রুপ জন্ম নিয়েছে। এতে করে সাহিত্য চর্চার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। তব প্রশ্ন জাগে যে গ্রুপের সদস্য নিয়ে। কেননা সকল গ্রুপে ঐ পুরাতন সদস্যরাই। সকল কবিগণকে সকর গ্রুপে দেখা যায়। কেউ দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছেন। কেউবা ব্যস্ত গ্রুপকে টপ ল্যাভেলে নিয়ে যেতে। এতে করে গ্রুপের মান বৃদ্ধি পায় বলে মনে হয় না। কবিতাকে প্রতিযোগিতায় নিয়ে কবিদের দক্ষতা বাড়ে না। বরং দক্ষতা বৃদ্ধি পায় লেখায়। গাইতে গাইতে গায়েন আর লিখতে লিখতে কবি বা সাহিত্যক জন্ম নেয়। কাজেই নবীন লেখকদের লেখার মানের দিকে নজর দেয়ার জন্য পরামর্শ দেয়া উচিত। সদস্যদের মধ্যে কবিতা প্রতিযোগিতা করে বরং তাদের কে প্রতিযোগিতা কেন্দ্রিক মন হয়ে যায়। ফলে তাদের কাছ থেকে মান সম্পন্ন অনেক লেখা আদায় করা যায় না। বিশেষ করে যে সকল গ্রুপগুলো দৈনিক প্রতিযোগিতা নিয়ে ব্যস্ত থাকে। আর অনেক গ্রুপে সাপ্তাহিক প্রতিযোগিতা হয়। সাপ্তাহিক প্রতিযোগিতায় অনেক নবীন প্রবীন কবিগণের সমারোহ ঘটে। প্রবীনদের সাথে নবীনদের কবিতা মিলিয়ে মান সম্পন্ন অনেক লেখা পাওয়া যায়। যা কবিদের নতুন কিছু সৃষ্টি করতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। তদ্রুপ সান্মমাসিক ও মাসিক প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়। আবার বিভিন্ন গ্রুপে প্রতিযোগিতা দৈনিক পাঠক বিজয়ী। উদ্যেগটি ভাল। তবে দেখা যায় যে পাঠক হন কবিগণ। ফলে অনেক কবি ব্যস্ত হয়ে পড়েন লাইক আর মন্তব্য করতে। ফলে সৃষ্টিশীল লেখা থেকে কবিগণ দুরে থাকেন। ফলে ঝড়ে যেতে হয়। একটানা বিভিন্ন গ্রুপে কবিতা পোষ্ট করে অনেকের মনে স্বপ্ন জাগে সুন্দর একটি বই বের করার। আর এজন্য প্রকাশকরা তাদের টোপ হিসেবে গ্রহন করেন। অনেক প্রকাশকের আমার কথায় মন খারাপ হতে পারে। কিন্তু বাস্তবতাকে মেনে নিতে হবে। বই প্রকাশের পর বই মুখ তোবড়ে পড়ে গেলে মন ভেঙ্গে যায়। একসময় পাঠক সৃষ্টি করা খুব কষ্ট সাধ্য ব্যাপার ছিল। বর্তমানে অনলাইনের যুগে পাঠক সৃষ্টি করা কোন দূরুহ কাজ নয়। মান সম্পন্ন যে কোন লেখার পাঠক মুখে মুখে রটে যায়। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কবি নির্বাচিত করা হলো দৈনিক। সম্মাননা সনদ অনলাইনে প্রদান করা হলো। কবি গর্ববোধ করলেন। তবে প্রত্যেকটা গ্রুপ দৈনিক প্রতিযোগিতা না করে কবিতা চর্চার দিক থেকে বিশেষ অবদান স্বরুপ সনদ প্রদান করে উৎসাহ প্রদান করা একজন সাহিত্যিকের জন্য মঙ্গলজনক। কিন্তু সকল গ্রুপের লক্ষ্য প্রতিযোগিতা আয়োজন করে গ্রুপকে সমৃদ্ধি করা। এতে করে লেখকের সময় চলে যায় প্রতিযোগিতায় কিভাবে সেরা হওয়া যায়। এতে কিছু মান সম্পন্ন লেখা পাওয়া গেলেও স্থায়ীত্ব সামান্য। বাংলা সাহিত্যে অবদান স্বরুপ একটি সম্মাননা থাকে বহুদুর এগিয়ে নিয়ে যাবে। যে কোন কবি মতের অমিলের কারণে নতুন গ্রুপের জন্ম হয়। আর জন্মের সাথেসাথে ছুটে চলা এডমিন খুঁজের। এতে করে অনেক লেখকের টার্গেট থাকেন নবীন কবিগণ। তাদের উপর চলে এডমিনের খরগ দায়িত্ব। এডমিন, মডারেটরের দায়িত্ব কম নয়। নতুন কবিতা ও সদস্য এপ্রুভ করা। প্রতিযোগিতার জন্য কবিতা বাছাই করা কম সময় সাপেক্ষ ব্যাপার নয়। কিন্তু একজন নতুন কবির পক্ষে কি একজন প্রবীণ কবির ভাবগাম্ভীর্য বোঝা সম্ভব।মনে হয় না। কেননা একজন প্রবীণ সদস্য এডমিন মডারেটরের দায়িত্ব পালন করলে তা বুঝা সম্ভব। গ্রুপ সদস্য সংখ্যা দিয়ে বিচার করে কোন লাভ নেই। কেননা এই গ্রুপের সদস্য অন্যান্য গ্রুপে বিদ্যমান রয়েছেন। এসকল সদস্যদের মধ্যে অনেকেই কার্যত নিষ্কিয়। কেননা যাদের কে গ্রুপে সদস্য হিসেবে এড করা হয় তাদের মধ্যে সাহিত্যের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে কতজন জড়িত আছেন। সাহিত্য পুতুল খেলা বা যেমন খুশি তেমন সাজো না। অনেক বিষয় বলার আছে। কোন কবির কবিতা এভাবে প্রতিযোগিতামূলকভাবে গ্রুপে কাজ করার জন্য গ্রুপে প্রতিদিন লেখা আসবে। কিন্তু মান কি বজায় থাকে। আবার গ্রুপের এডমিননগণ লেখকদের বলেন অন্যের কবিতায় লাইক কমেন্ট করার জন্য। অনেক বিশেষজ্ঞের ধারণা পাঠক বাড়বে। আমি তা মনে করি না। কেননা কবিরা স্বাধীন। কেননা তাদের জন্য কোন নিয়ম নেই। কবির কলম সময়ের সাথে চলবে। বিভিন্ন গ্রুপের কমিটির দায়িত্বশীলগণ লাইক কমেন্টসের জন্য কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করেন। কোন নবীন লেখক যখন দেখবে তার কবিতায় মন্তব্য এসেছে তখন তার মন খারাপের অবস্থা। কেননা তাকে অনুরোধ করা হচ্ছে লাইক কমেন্ট করার জন্য। প্রথম প্রথম আমার বেলাও ঘটেছে। এখনো ঘটে চলে। যা কাম্য নয়। একজন লেখক স্বপ্রণোদিত হয়ে কমেন্ট এবং লাইক করলে তার সারমর্ম রয়েছে। অন্যথায় সে এমনি প্রদান করবে যার ভিত্তি থাকবে না। আবার অনেক গ্রুপ আছে যারা প্যানেল তৈরি করেন ম্যাসেনজারে। রীতিমত সেখানে কবিতা নিয়ে আলোচনা চলে। অনেকের কাছে বিষয়টা ভাল লাগে আবার অনেকের কাছে খারাপ লাগে। বিশেষ করে নবীন লেখকরা খেই হারিয়ে ফেলেন। কবিতা শেখার পূর্বে যদি তার উপর বোঝা চাপানোর ব্যবস্থা করা হয় তাহলে তাহার পক্ষে বোঝা বহন করা সম্ভব নয়। ফলে সে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। ঝড়ে পরে একটি তারা। অনেক কবি আছেন যারা বাংলা সাহিত্য নিয়ে লেখাপড়া করেছেন বা করছেন। এমনো অনেক কবি আমাকে বলেছেন এভাবে না ওভাবে লিখতে হবে। আমার মনে হয় আমারমতো আরো অনেকে উনাদের স্বীকার হয়েছেন। বা হচ্ছেন। বাংলার বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম কি গন্ডি জেনে কবিতা লিখেছেন। নিশ্চয়ই না। তাহলে বর্তমান প্রজন্মকে কেন আগে গন্ডি জানতে হবে আর পরে লিখতে হবে। একজন সাহিত্যিক সৃষ্টি করবেন। সমস্ত পৃথিবী তার সৃষ্টির অপেক্ষায় থাকে। নবীনদের সেভাবে এগিয়ে যেতে হবে। কবিতা মনের খোরাক যোগায়। সমাজের ভাল মন্দ বিষয়গুলো ছন্দ বা গদ্য কবিতায় রুপদান করবেন বা মিশ্র ভাষায় রুপদান করবেন বা আঞ্চলিকতায় রুপদান করবেন তা কবির নিজস্ব ডং এর ব্যপার। অনেক কবি সরাসরি বলেন এটা কবিতা হয় নি, এজন্য আপনার লিখা ভাল লাগে না, এখন ভাল হচ্ছে এসবকথা আমাকে বলা হয়েছে। এমন কমেন্ট যারা করেন নবীন লেখকদের অনুরোধ করবো লেখা থামাবেন না। চালিয়ে যাবেন। নয়তো আপনি শেষ। যেমনটি আমি করিনি। আবার একজন শিক্ষক আছেন যিনি রাগ করে এমন সব শব্দ ব্যবহার করেছেন যা বাংলা ব্যাকরণে কখনো ব্যবহার হয় নি। আমিও পাই নি। কিন্তু তিনি আজ আমাকে উৎসাহ দেন তাহার অজান্তে। শত প্রতিকুলতার মাঝে এগিয়ে যেতে হবে। একটি গ্রুপে লক্ষ্য করেছি যে তাদের নিয়ম নাকি লাইক কমেন্ট না করলে কবিতা পোষ্ট করা যায় না। আবার অন্য আরেকটি গ্রুপের নিয়ম কবিতা পোষ্ট করে ২০ টি লাইক এবং নিচে ১০ কমেন্ট করতে হবে। এটি তাদের প্যানেলে আলোচনা হয়েছে এবং এ নিয়মে চলবে। যাই হোক ছয় মাস পর কবিতা পোষ্ট করার পর তাদের নিয়মের কথা আর শুনা যায় নি। সাহিত্যকগণ কিভাবে একটি লেখার জন্ম দেন তা তারা জানেন। কিন্তু নিয়মের গন্ডিতে কখনো সাহিত্যিকগণকে বেধে রাখা সম্ভব নয়। স্বপ্রণোদিত হয়ে একজন লেখককে লাইক কমেন্টেস করার সুযোগ দিতে হবে। লিখতে হলে পড়তে হবে। নবীন প্রবীন সাহিত্যিকগণের লেখা পড়তে হবে। কেননা না পড়লেরনা জানলে লেখা সহজ নয়। কাজেই অনলাইন সাহিত্যগ্রুপে আমার মতামত আমরা পড়ার জন্য অনুরোধ করতে পারি। একজন লেখক অবশ্যই পড়বেন। অনেক লেখক বলেন যে অনুরোধ রক্ষার জন্য লাইক করি পড়ার দরকার নেই। তাতে করে সাহিত্য চর্চার মান খারাপ হয়। বর্তমানে আমরা নব্য রাজাকার সরকার দলের কথায়। আমরা অনলাইনে অনেক কবি প্রতিবাদ জোড়ালো হয় নি। এতে করে আমরা কবিরা প্রমাণ করেছি আমরা কোন না কোন দলের অংশ। যা উচিত নয়। কবিরা একার নয়, দেশের নয়, কোন দলের নয়, সবার সাড়া বিশ্বের। তাহলে কেন আমরা সহ্য করলাম। অনেক গ্রুপতো তাই প্রমাণ করে। গণতন্ত্র নিয়ে আমরা অনেক লেখেছি। কিন্তু এটা কি রাজনৈতিকতায় পড়ে নি। অবশ্যই পড়েছে। সুতরাং রাজনীতি দেশের মঙ্গলের জন্য। যদি বিপরীত হয় তার প্রতিবাদ করতে হবে। সাহিত্য সকল জায়গায় বিচরণ করে। সকর জায়গায় উপাদান রয়েছে। সাহিত্যিকগণ নিজের অনেক মেধা খরচ করে কবিতা/গল্প/উপন্যাসের জন্ম দেন। প্রকাশকের কাছে যোগাযোগ করলে নিজের টাকা খরচ করে বই বের করতে হয়। প্রকাশকগণ বলেন নবীন লেখকদের ক্ষেত্রে রিস্ক নিতে চান না। ব্যবসা মানেরলাভ লস। অনেক প্রকাশক আছেন যারা মনে করেন যদি বইয়ের চাহিদা হয় তাহলে লগ্নি করবেন। রয়েলিটি বিলি করবেন। সাহিত্যিক যদি প্রকাশককে এগিয়ে দিতে হয় তাহলে প্রকাশকের কোন প্রয়োজন নেই। নিজের বই নিজেই সংকলনের ব্যবস্থা করা যায়। তারপর লেখকগন প্রকাশকের কাছে ছুটে চলেন। অনলাইনে সাহিত্য চর্চার কারণে প্রকাশকরা রীতিমত প্রতিযোগিতা শুরু করেন। যা সত্যি ভাবিয়ে তুলে। বই বের করার সবার প্রচেষ্টা থাকে। মেধা খরচ করে রচনা করা তারপর টাকা দিয়ে সেই মেধা বের করা সত্যি ভাবিয়ে তুলে। পুঁজিবাজারে সবাই লাভ খুঁজে লস নয়। আমাদের নবীন লেখকগণ ছুটে চলেন তাদের কাছে। এভাবে ধ্বংস হয় তরুণ প্রতিভা। প্রকাশকের কাছে এভাবে ছুটে না গিয়ে নিজের সৃষ্টির উপর ভরসা রাখা ভাল সকল লেখকগণের। নিজের উপর আস্থা না থাকলে তাদের পেছনে ছুটতে হবে। কাজেই বই বের করার পূর্বে অনলাইনে কবিতা পোষ্ট করে নিজের কবিতাকে আরো ক্ষুরধার করা প্রয়োজন। পূর্বে যেখানে রবীন্দ্রনাথ বা নজরুর অনলাইনেররসুবিধা পান নি। কিন্তু বর্তমান সাহিত্যিকদের সে কাজে লাগানো উচিত। প্রকাশকগন সবসময় মুখিয়ে থাকেন কবিগন নিজের পয়সা দিয়ে বই বের করবে। কিন্তু এ ধারা থেকে বের হয়ে এলে প্রকাশকগন ছুটবেন রেখকগণদের কাছে। আর এটি চরম বাস্তবতা। অনলাইন সাহিত্য চর্চার ক্ষেত্রে আমরা সকর কবিগন এখনো একটি প্ল্যাটফর্মে আসতে পারি নি। আমাদের কারো না কারো সাথে মতের অমিল রয়েছে। যার ফলে এতো গ্রুপের সৃষ্টি। আর কোন কোন গ্রুপের সদস্য সংখ্যা দেখা যায় লক্ষের উপরে। আর কার্যকারিতা মাত্র ২০%। এভাবে গ্রুপ এগিয়ে চলছে। আবার কোন কোন গ্রুপ মাসিক পত্রিকা বের করছে। ফলে ম্যাগাজিনে লেখা প্রকাশ করে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। একদিন চরম ফল হাতে পাওয়া যাবে। আমরা সাহিত্যিকগন মানবতা নিয়ে কত রকম লেখা লিখে থাকি। বিচারের কথা লিখে থাকি। রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে লিখলে গ্রুপগুলোর সমস্যা হয়। সকলের মনে ভয় কাজ করে গ্রুপ বন্ধ হবার। কবিদের পরিচয়আজকাল রাজনীতিতে ঠেকেছে। কাজেই প্রতিবাদ আজ অন্ধকারে। কেননা বিদ্রোহ করলে গ্রুপ এপ্রোভ করবে না। তাহলে বিদ্রোহী হবে কি করে? অন্যায়ের প্রতিবাদ হবে কি করে? লিয়াজু মার্কা লেখক হয়ে লাভ কি? লেখকনচিন্তা চেতনা সরকার ভয় পাবে। বিদ্যানের কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়েও পবিত্র। সুতরাং লেখককে লিখতে হবে। প্রতিবাদী হতে হবে এবং অন্যায় অত্যাচার, অবক্ষয় অবশ্যই সমাজের মাঝে তুলে ধরতে হবে।আর গ্রুপ গুলোকে সহযোগিতা করতে হবে বিদ্রোহী কবিদের। যদি সত্যিকার সাহিত্য চর্চা গ্রুপগুলো করতে চায়।

ছবি
সেকশনঃ সাহিত্য
লিখেছেনঃ Md Enamul Huq তারিখঃ 07/10/2019 02:53 AM
সর্বমোট 102 বার পঠিত
ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুণ

সার্চ