ব্যাকগ্রাউন্ড

ফেইসবুকে!

আজ ২৫ শে আগষ্ট।

বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু নাকি ভারত ও চীন, তাদের ভিতরকার লুকায়িত মুখোশ উম্মেশ শুরু হয়েছে ২০১৭ সালের এই ২৫ শে আগষ্ট হতে। কেমন রক্ত চোষা বন্ধু এরা তা আজ ২০১৯ সালে ও আমাদের অনেক সচেতন নাগরিকদের বোধদয় হয়নি। সকলে ভাবছেন আমি হয়ত সাম্প্রদায়িক হয়ে দুটি ভিন্ন ধর্মের দেশের বিষয়ে হিংসাত্মক মনোভাব নিয়ে কথা বলছি। হা আমি সাম্প্রদায়িক মহা সাম্প্রদায়িক। মানবতার প্রশ্নে মানুষ কে ভালোবাসা ধর্ম বর্ণ বাদ দিয়ে তাহলে সাম্প্রদায়িক। ২০১৭ সালের আজকের এই দিন হতে পার্শ্ববর্তী দেশ মায়ানমার হতে গণহত্যার হাত হতে বাঁচতে পাখির মত দলে দলে ছুটে এসেছিল একদল ভীতসন্ত্রস্ত মানব সন্তানের দল। আর আমরা ও সাধ্যমত তাদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছি নিজ দেশে। বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার আপ্রাণ চেষ্টা করে চলছে এদেশ তাদের জীবনের দৈন্যদশা নিয়ে। আর পার্শ্ববর্তী বৃহৎ দুটি দেশ চীন ও ভারত যারা সেই অত্যাচারী শাসকের সাপোর্ট দিয়ে বাংলাদেশ কে বিপদের মধ্যে ফেলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তারা বাংলাদেশ কে ভালোবাসে তাদের রক্তচোষা বাণিজ্যিক লাভের কারণে। ভারত গরু রপ্তানি বন্ধ করে বাংলাদেশ কে বিরাট হুমকি দিয়েছিল আজ চাইলে বাংলাদেশ ভারত কে গরু রপ্তানি করতে পারে বাংলাদেশের কৃষক খামারিগণ সেটা প্রমাণ করে দেখিয়েছে। পোষাক ওষুধ শিল্পও ভারত চীনের থেকে আমরা পিছিয়ে নেই। এখন ইলেকট্রনিক সহ কিছু সস্তা ও সহজলভ্য কিছু বস্তু দিয়ে এদেশের টাকা লুটে নিচ্ছে তারা। আমাদের দেশেও জিনজিরা পল্লীকে সরকারি বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় নিয়ে চেষ্টা করা হলে খুবই স্বল্প সময়ে দেশে আরো অনেক এমন শিল্প গড়ে তোলা সম্ভব। আর তখন এই রক্তচোষাদের রক্তচক্ষু দেখতে হবে না। আজ রোহিঙ্গা রা দেশে ফিরতে চাচ্ছে না তাদের নিরাপত্তার কথা বলে আবার এদেশেও তারা শান্তি নষ্ট সহ অরাজকতা সৃষ্টি করছে যা এদেশের জন্য এখন হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। মানবতা আজ আমাদের হুমকি হয়ে দাড়িয়ে দেখা দিয়েছে। আর ওদিকে অস্ত্র বাণিজ্য সহ বন্ধুত্বের হাত প্রসারিত করে মায়ানমার সহ জাতিসংঘ কে প্রভাবিত করছে এ দুদেশ। আমরা যখন আশ্রয় দিই তখন তারা আশ্রয় না দিয়ে আমাদের কত প্রসংশা করল যার মানে বিপদে ঠেলে দিয়ে এখন আসল রুপ দেখিয়ে দিচ্ছে। তাই সময় এখন এই মুখোশধারী বন্ধু রুপী শত্রুদের সহযোগিতার আশা না করে দেশকে প্রয়োজন অনুযায়ী সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলা। আর রোহিঙ্গা আশ্রয় স্থল হতে সকল এনজিও কে কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে তাদের নিজ দেশ অভিমুখী করা। তারা তাদের অধিকার আদায়ে সেখানে ব্যবস্থা নিয়ে থাক। আজ ২৫ শে আগষ্ট ২০১৭ সালের এই দিন হতে ঢল নেমেছিল এই বাংলায় রোহিঙ্গাদের।

ছবি
সেকশনঃ সাধারণ পোস্ট
লিখেছেনঃ মাজেদুল হক তারিখঃ 25/08/2019 10:22 AM
সর্বমোট 127 বার পঠিত
ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুণ

সার্চ