ব্যাকগ্রাউন্ড

ফেইসবুকে!

ক্রসফায়ার নিয়ে যাদের মানবতা উতলে ওঠে অপরাধ দমনে তাদের ভূমিকা কোথায় কে জানে?

ফেসবুক খুলতেই আলোচিত রিফাত হত্যাকারী নয়ন বন্ড ক্রসফায়ারে নিহত নিউজ চোখে পড়ল। একটা মন্দের ভালো নিউজ আমি ব্যক্তিগতভাবে খুশি। এটার বিপরীতে আবার মানবতা উগরে উঠারও নিউজ চোখে পড়ছে চেতনাধারী মানবের। আমার অল্প কিছু বয়স তার দেখা বাস্তব কিছু কথা শেয়ার করি। দেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলে ঝিনাইদহ জেলা। ১৯৯০ হতে ২০০৭ সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যে। এখানে বিচার ব্যবস্থা মানে রাতের আধারে গুটি কয়েক মানুষের সিদ্ধান্ত। ব্যবসা, বাণিজ্য চাঁদা প্রদান আমাদের অভ্যাসে পরিণত ছিল। অস্ত্রের ঝণঝাণানি আর নিরীহ মানুষের আর্তনাদ ছিল নিত্যকার ঘটনা। প্রতিটি সূর্য উদয়ের সাথে শুনতে পেতাম একটি,দুটি খন্ড বিখন্ড হত্যাকান্ড, লাশের বহর। এটা শুধু ঝিনাইদহ নয় গোটা দক্ষিণ বঙ্গ। এটা ঠেকানোর যেন আর কোন বিচার ব্যবস্থা বা আইন নেই দুনিয়ায় এমন মনে হত। ২০০৫ সালের বাংলাদেশ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী প্রশাসনে আমূল পরিবর্তন ঘটল। সন্ত্রাসী ধরতে গিয়ে পুলিশ কে বা র্যাব কে আক্রমণ করছে সন্ত্রাসী রা তখন পাল্টা আক্রমণে সন্ত্রাসী নিহত হওয়া শুরু হলো। নাম আসল ক্রসফায়ারে সন্ত্রাসী নিহত, বিভিন্ন অপরাধী এই ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছে। তখনও কিছু সুশীল সমাজ বিজ্ঞ বুদ্ধিমান লোকেরা এটার বিরোধিতা শুরু করল। কিন্তু এই বুদ্ধি জীবিরা কখনও তাদের বুদ্ধি অপরাধ কমাতে বা দমনে ব্যবহার করতে দেখা যায়নি বা তাদের বুদ্ধির সফলতার কোন নজির এদেশের কোথায় পরিলক্ষিত হয়নি। দীর্ঘ সংগ্রাম করে ক্রসফায়ার আইনে পুলিশ, র্যাব,যৌথবাহিনি অক্লান্ত পরিশ্রমে দেশের সার্বিক সন্ত্রাসী পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রিত। দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের সেই সন্ত্রাসী বাহিনী, পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি, হক পার্টি, শ্রমজীবি মুক্তি আন্দোলন, সর্বহারা,জাসদ, নকশাল এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর আর দলবেঁধে মহড়া প্রদান এখন কালের স্বাক্ষী হয়ে গেছে। যাদের অত্যাচারে মানুষ ছিল জিম্মি। আইন আদালত কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলত তারা। এই ক্রসফায়ার তাদের দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এখন কেউ ভুল করেও এমন সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্য হবে এ অঞ্চলে কেউ কল্পনাও করে না ভয় একটাই প্রশাসনের হাতে মৃত্যু নিশ্চিত। মানুষ পৃথিবীতে কোন কিছু তোয়াক্কা না করলেও মৃত্যু কে সে খুব ভয় পায়। মৃত্যুর হাত হতে রক্ষা পেতে সে স্বাভাবিক জীবন যাপনে অভ্যস্ত হচ্ছে পরিশ্রম করছে নিজের আর্থিক উন্নতি ও জাতীয় অর্থনীতি ত্বরান্বিত করতে ভূমিকা রাখছে। এই বন্দুক যুদ্ধ তথা ক্রসফায়ারের বদৌলতে দেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চল তথা ঝিনাইদহ এখন সন্ত্রাস মুক্ত জেলা। সারাদেশে সন্ত্রাসী নেতৃত্ব দানকারী লিডার এই ঝিনাইদহে একাধিক নেতার জম্ম বেড়ে উঠা এবং ক্রসফায়ারে ও নিজেদের শ্রেণীগত দাঙ্গায় নিহত হয়ে এখন মুক্ত সুশাসনের ঝিনাইদহ। শুরু করেছিলাম নয়ন বন্ড হত্যা নিয়ে জনদরদীদের কথা নিয়ে। এটাই প্রমাণিত মানুষ মৃত্যু কে ছাড়া কাউকে ভয় পেতে চাই না? তাই অপরাধ বিভিন্ন রকম শাস্তি দিয়েও নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে না বাট ক্রসফায়ারে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে নিতে সম্ভব হয়েছে। এই ক্রসফায়ার দরকার ছিল বিশ্বজিৎ হত্যা,ব্লগার ব্লগারদের হত্যাকারী, নুসরাত হত্যাকরী,ধর্ষণকারীদের ও তাহলে গোটা পাপীষ্টদের ভীত কেপে উঠবে। রিফাত হত্যাকারী আরো কয়েকজনের ক্রস দেওয়া হোক তাহলে গোটা বরগুনা বাসী তরুণ প্রজম্ম সকল অপরাধ, অপসংস্কৃতি, অপরাজনীতি ছেড়ে মায়ের বুকে আশ্রয় নিবে, লিখাপড়ায় মনোযোগী হবে। অন্যায় করলে মৃত্যু অবধারিত এটা গেঁথে যাবে মনে। নয়ন বন্ডের ক্রসফায়ার রাজনৈতিক পেশীশক্তির দূর্বলতা প্রমাণিত হলো। কোন নেতা প্রশাসনের হাত হতে বাঁচাতে পারবে না এটা দেখিয়ে দিল প্রশাসন।

ছবি
সেকশনঃ সাম্প্রতিক বিষয়
লিখেছেনঃ মাজেদুল হক তারিখঃ 03/07/2019 06:26 AM
সর্বমোট 139 বার পঠিত
ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুণ

সার্চ