ব্যাকগ্রাউন্ড

ফেইসবুকে!

অবাধ চলুন আর আস্থা রাখুন - জয় আপনাদেরই হবে। সাথে একটু দমও দিয়ে নিবেন, বিপ্লবটাও হয়ে যাবে ।

খবর : ​

যে বাজারে গবেষণা কেনাবেচা হয়। 


সূত্র : প্রথম আলো 
লিংক : এখানে 

চুম্বক অংশ : প্রথম আলো থেকে। 

শিক্ষার্থীরা কেন নীলক্ষেতমুখী? 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ সালে স্নাতকোত্তর পাস করা এক শিক্ষার্থী প্রথম আলোকে বলেন, ‘পরিচিত বড়ভাইয়ের মাধ্যমে নীলক্ষেতে গবেষণা তৈরির কথা শুনি। পরে সেখান থেকে কিনে বিভাগে জমা দিয়েছিলাম।’ রচনাচুরি ধরা পড়ায় প্রথমে তাঁর গবেষণাপত্রটি গৃহীত হয়নি। শিক্ষকেরা সংশোধন করে আনতে বললে তিনি দোকান থেকে রচনাচুরির হার কমিয়ে এনে জমা দেন। আর সমস্যা হয়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীর গবেষণা জালিয়াতি ধরা পড়লে বিভাগীয় পর্যায়ে ব্যবস্থা নেওয়াটাই রেওয়াজ। নৃবিজ্ঞান বিভাগ ২০১৬-১৭ সালে চারজন শিক্ষার্থীকে জালিয়াতির জন্য জরিমানা করেছিল। তৎকালীন বিভাগীয় প্রধান হাসান আল শাফী প্রথম আলোকে বলেন, প্রতিবছরই পাঁচ-ছয়জন শিক্ষার্থীর মনোগ্রাফ ও থিসিস জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া যায়। তবে তাঁদের সফটওয়্যার বাংলা লেখায় রচনাচুরি ধরতে পারে না।

এসব সংবাদ আতঙ্কের ও তথাকথিত প্রগতিশীল গোষ্ঠীগুলোর এসব নিয়ে মুখে কুলুপ এটে থাকাটা সন্দেহ জনক। কিছুদিন আগে ওখানকার শিক্ষকদের নিয়েও সংবাদ পত্রে আমরা প্রতিবেদন দেখেছি। দৃশ্যমান কোন বিচার দেখিনি। প্রকাশ্যে চুরি! চুরির সংজ্ঞা নিয়ে পড়তে হবে প্রচুর আবার, সেই সাথে চুরির ব্যখ্যাটাও পাল্টে ফেলতে হবে।  

অলরেডি জিপিএ ৫ এর ধাক্কা শুরু হয়েছে শিক্ষাঙ্গণ গুলোতে, সামনে জব সেক্টরেও এর একটা প্রভাব পড়বে বেশ কুরুচীপূর্ণ রূপেই। সাথে প্রকাশ্যে এসব চুরি চললে মারহাবা মারহাবা বলা ছাড়া আর কিছু মুখে আসবে না। মুখস্ত কোটেশন আর সত্যিকার ভাবে বিষয়ের গভীরে প্রবেশ সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। আমরা চটকদার কোটেশনে আপ্লুত হতেই পছন্দ করি ও করছি, এর ফলাফলটা ভোগ করতেই হবে। 

অবাধ চলুন আর আস্থা রাখুন - জয় আপনাদেরই হবে। সাথে একটু দমও দিয়ে নিবেন, বিপ্লবটাও হয়ে যাবে । 

ছবি
সেকশনঃ সাধারণ পোস্ট
লিখেছেনঃ দুরন্ত.. তারিখঃ 17/01/2019 03:07 PM
সর্বমোট 269 বার পঠিত
ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুণ

সার্চ