ব্যাকগ্রাউন্ড

ফেইসবুকে!

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে ।। হৃদয়ে মোদের মুজিববাদ, বাদ দিয়ে দিন সব খুনি, দূর্নীতিবাজ আর মুর্তাবাদ

সাধু সাবধান

ঢাকার যেদিকে তাকাই শুধুই নৌকার পোষ্টার। মিরপুর এলাকায় কোনা কানচিতে গুনে গুনে ১৬ খান রঙিন পোষ্টার পেলাম তাও আবার এরশাদ চাচার। ওধুধ নিয়ে ফিরছিলাম। জুম্মাবার বলে কথা। যতটা সম্ভব লোক এড়িয়ে আসছিলাম। হঠাতই মিরপুর ১০ নম্বরের বাজারের গলির ভেতর থেকে দলে দলে নামাজিরা বের হয়ে আসছিলেন। এরই মধ্যে সামান্য একটু জটলা। উৎসুক হয়ে জিজ্ঞাসিলাম, কিসের জটলা? কয়েকজন সমস্বরে জবাব দিলেন, নামাজ শেষে কয়েক যুবক ধানের শীষের লিফলেট বিলি করছিল। সাদা পোশাকের পুলিশ তাদের দু'জনকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। প্রায় সপ্তাহ হতে চললো, নৌকার পোষ্টার, লোক ছাড়া কিছুই চোখে পরেনি। কৌতুহল দমন করতে পারলামনা। এত বাধা, নির্যাতন, গ্রেপ্তারের ভয় মাথায় নিয়ে মালদুটা কে, দেখতে মঞ্চাইলো। রিক্সাওয়ালাকে বলে থেমে মালদুটোরে দেখলাম। অবুঝ চেহারা। তবে, চোখে মুখে কোন ভয় নেই। তারা সবার সামনেই বলছে, "কতজনকে ধরবেন? জেলখানায় জায়গা আছেতো? আমরা অন্যায় কি করলাম? নামাজ শেষে মুসল্লিদের মাঝে লিফলেট বিলি করছিলাম, এটা কি কোন অপরাধের পর্যায়ে পরে?" উপস্থিত লোকজন রাস্তা ফঅকা করে দিচ্ছেন। কারণ, পুলিশের হাতে ছিল শর্টগান আর কালো কালো পেচানো দাগওলায়া বেতের লাঠি। এই ঠাণ্ডায় কে যাবে বেতের লাঠির মাইর খেতে। যুবক দুটো যেন দাগি কোন চোর, অথবা ধর্ষনকারী অথবা খুনী, ঠিক এভাবেই পুলিশের হাত ছিল যুবকদুটির কোমর বন্ধনীর ভেতরে। যেন পালাতে না পারে। আমিও প্রায় সপ্তাহখানেকের মধ্যে ধানের শীষের দুইজন প্রচারক দেখতে পেলুম। তাই বাক বাকুম বাক বাকুম করে রিক্সায় গিয়ে উঠলুম। তবে, চুপচাপ। রিক্সাওয়ালাই নিরবতা ভাঙলেন-এই বলে যে, "ভাইজান এত্ত এত্ত পথ আইলেন, কোনহানে নৌকা ছাড়া অন্য কোন পোষ্টার দেখছেননি? না সূচক জবাব পেয়ে সে আরও উৎসাহী হয়ে বলে উঠল, আফনে কোন দল করেন, হেইডা জানিনা, তবে, এইরকম অত্যাচারের জবাব দিমুনে। ব্যালট পেচাইয়া হেগোর..... ঢুকাইয়া দিমু। গুইন্না শেষ করতে পারবোনা। আমরাও বুঝছি কি করন লাগবো। ডাহাতি করবো হেরা, আমরাও দেখমুনি। ঢাহা তারা দহলে রাখতে পারবোনা। অত্যাচারের নমুনা দেইখতে দেইখতে মনডা তিতা অইয়া গেছে"। --------------------------সাধু সাবধান। স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির কথা বলে, এমন অত্যাচার, নিপিড়ন বাঙালী সহ্য করেনাই। ইতিহাস তাই বলে। ৯০ এর গনঅভ্যুত্থানের কথা নিশ্চই কেউ ভোলেনি। পরাক্রমশালী এরশাদ আজ বিনোদনের খোরাক। ৭৫ এর অপশক্তি সরকার প্রধানকে জনগন থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার নেপথ্যের মহাপরাক্রমশালী গোয়েন্দা দল (শেখ মুজিব/বঙ্গবন্ধুর আস্থাশীল) নিউক্লিয়াসের সদস্যরা এখন কোথায়, সরকার প্রধান তা নিশ্চই অবগত। খুব মনে পরে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার রুপকার, যিনি সারাটিজীবন প্রচার বিমুখ ছিলেন, সেই সিরাজুল ইসলাম খানের কথা, আরিফ আহম্মদের কথা, আব্দুর রাজ্জাকের কথা, আসম আব্দুর রব, সিরাজুল ইসলামের কথা। জাতীয় চার নেতার কথা। তারা থাকলে হয়তো জয়বাংলার শ্লোগানটাই হতো ভিন্ন। কিছু রাজাকারের বিচার হয়েছে সত্য। আও রাজাকার রয়ে গেছে দলের অভ্যন্তরে। বঙ্গবন্ধুর রক্তমাখা লাশ যখন সিড়ির ওপর মুখ থুবরে পরেছিল, তখন ট্যাংকের উপর উল্লাসরতরা আজ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত। লাশের দাফন না করেই খন্দকার মোস্তাক সরকারের শপথবাক্যের আয়োজনকারীরা সরকারের উপদেষ্টা ! এ কোন আওয়ামীলীগ? ইশতেহারের মধ্যে কোন দুর্নীতির বিষয়ে জিরো টলারেন্স দেখাতে চান? ধানের দাম এখন (৭৫ কেজি) ১২০০ টাকা। সরকারি গম ক্রয় বাবদ (মে-জুন মাসে) যখন কৃষকের ঘরে গম থাকেনা, তথাকথিত ব্যবসায়িরা, নেতারা প্রতিবছর প্রায় ২৫৩ কোটি টাকা লুটপাট করেন। যা পাবার কথা ছিল কৃষকের। এবারও তাই হবে। কোন দুর্নীতি দমন হবে? জয় বাংলাকে নিয়ে একটি গোষ্ঠি ব্যবসায় মত্ত্ব। দেশনেত্রী/বঙ্গবন্ধু কন্যা কৃষক, শ্রমিকের কতটুকু খরর রাখছেন? ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের নামে পত্রিকাগুলো বছরের পর বছর সরকারকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আসছে। কোন পত্রিকাই, টেলিভিশনও, অনলাইনও ঢাকার বাইরে সাংবাদিকদের বেতন স্কেল অনুযায়ি বেতন পরিশোধ করেন না। এটা কি সরকারের অজানা? তথ্য মন্ত্রনালয় আর প্রেস কাউন্সিল থেকে পত্রিকা, টেলিভিশন, অনলাইন ম্যাগাজিনগুলোর প্রধান কার্যালয় কি শত শত মাইল দুরে অবস্থিত? তথ্য মন্ত্রনালয় কি কখনও সরকারকে এ খবর দিয়েছেন যে, গনমাধ্যমগুলো সরকারের কাছ মিথ্যা তথ্য প্রদান করে সরকারি সুবিধা আদায় করছে? তথ্যমন্ত্রী কি এ বিষয়ে আন্তরিক? নাকি তথ্যমন্ত্রী সরকারকে জনবিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। ৭৫ এর কথা মানুষ ভুলে নাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি আপনার পিতার হত্যাকারীদের, হত্যায় উল্লাসকারীদের ভুলে যেতে পারেন, জনগন তা ভুলে নাই। জনগনের হৃদয় মাঝে বঙ্গবন্ধু একটা আদর্শের নাম, একটা সংগ্রামের নাম, একটা চেতনার নাম। আপনার উদাসিনতায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ভুলণ্ঠিত হতে দিবেনা বাংলার মানুষ। চিহ্নিত/অচিহ্নিত/খুনি/রাজাকারদের বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে। দয়া করে জনগনের বুকে গুলি চালাবেন না। এ দেশটার মালিক জনগন। আর এই মালিকানা প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। আপনি একা একটা ফোন লাইন চালু করুন। জানতে চান, জনগন আপনার চারপাশের লোকদের কতখানি ঘৃনা করেন বা ভালোবাসেন। আপনি জানতে চান, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে দেশের কতভাগ মানুষ আজও হাহাকার করে। দয়া করে অস্ত্রধারী সরকারি বাহিনীকে জনগনের মুখোমুখি দাড় করাবেন না। পৃথিবীর ইতিহাসে বড় বড় নেতারা যে ভুল করে নি:শেষ হয়ে গিয়েছে, সে পথে আপনি হাটবেন না। মনে রাখবেন, সরব শক্তির চেয়ে নিরব শক্তি অধীক শক্তিশালী। ১৭ বছরের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা জীবনের অভিজ্ঞতা কোনমতেই ভুল হতে পারেনা। ৭০ এ বঙ্গবন্ধুকে ক্ষমতা দিলে হয়তো এ দেশ স্বাধীন হতোনা। তেমনি নিরপেক্ষ নির্বাচন দিলে ক্ষমতা যেই পাক, দেশের মানুষের আপনি আস্থা অর্জন করতে পারবেন। দেশ সামলানো, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের দ্বারাই সম্ভব। অন্য কেউ ক্ষমতা পেলেও, জঙ্গীবাদ আর সাম্প্রদায়িকতার ভারে তারা নুয্য হয়ে শেষ হয়ে যাবে। দেশ গড়বার জন্য বঙ্গবন্ধুর আদর্শিক শক্তির উত্থান হবেই হবে। জবর দখল করে, চোখ রাঙিয়ে শোষন করা সম্ভব, শাসন করা সম্ভব নয়। একটা ছোট্র উদাহরন দেই-বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি করতে গিয়ে একজন নেতা তার জমি জমা বিক্রি করে রাজনীতি চালিয়ে আসছিলেন। সেই নেতা প্রয়াত হবার আগে ও পরে পরে এলঅকার লোকজন জানতেন যে, জমিজমা সব শেষ। পরিবার চলবে কি করে, তাই নিয়ে ভাবনা। অবশেষে সেই নেতার বড় ছেলে ইউপি চেয়ারম্যানে প্রতিদ্বন্দিতা করলেন। যদিও কোন অবস্থাতেই সেই ছেলে রাজনীতি করার যোগ্য ছিলনা। নানাবিধ নেশায় সে আচ্ছন্ন ছিল। তারপরেও এলাকার লোকজন প্রয়াত নেতার কথা মনে রেখে সেই ছেলেকে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছিল। সে একাধারে ৯ বছর চেয়ারম্যান পদে ছিল। কিন্তু স্বভাব বদলায়নি এতটুকু। জনগনের কাছে যাওয়া তো দুরের কথা, সে হয়েছিল জনবিচ্ছিন্ন। পরেরবার সবার অনুরোধ উপেক্ষা করে আবারও ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতা করে। এতে করে সে ভোট পেয়েছিল মাত্র ৪শত ৭৮ টি!!!!!!! যদিও তার বোন এবং প্রয়াত সেই নেতার বড় মেয়েকে আপনি সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছিলেন। ঘুরে ফিরে একই অবস্থা। সেই নেতার মেয়েও আখের গোছাতে ব্যস্ত ছিল। সেও জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পরেছে। আপনার দেওয়া সোলার বিদ্যূৎ গ্রামের সকল মানুষের কাছে না পৌছালেও পৌছেছে তার আত্মীয় পরিজনের কাছে। দু-চারটি সৌর বিদ্যুৎ মসজিদ মন্দিরে পৌছালেও প্রতিটি সংযোগের জন্য গ্রাহককে গুনতে হয়েছে সর্বনিম্ন ৩ হাজার টাকা। বদনামতো তার হয়েছেই, আপনার কি বদনাম হয়নি? গম যে সময় সরকার ক্রয় করে, সে সময় কি কৃষকের ঘরে গম থাকে? না থাকেনা। প্রতিটন গমের স্লিপ বিভিন্ন কৃষকের নামে দেখিয়ে ব্যবসায়িদের কাছ থেকে টন প্রতি সর্বনিম্ন ৫ হাজার টাকা করে আদায় করা হয়। কৃষককে বঞ্চিত করা এসব নেতারা আপনার জন্য কি বদনাম ডেকে আনেনি?
আপনি চুপ কেন নেত্রী। তখনকার নিউক্লিয়াসের নেতারা আজ ভিন্ন পতাকা তলে কেন? কেন আমার মত পোড় খাওয়া সাংবাদিক ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে যাবেনা বলে সংকল্পবদ্ধ? জবাব কি দিতে পারেন?
এখনও সময় আছে। স্বচ্ছতার বিকল্প নাই। স্বচ্ছতা বজায় রাখলে জুলফিকার আলী ভুট্রোকে ফাসিতে ঝুলে মরতে হতোনা। স্বচ্ছতা বজায় থাকলে বছরে বছরে এত মুক্তিযোদ্ধার তালিকাও বৃদ্ধি পেতোনা। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অভিমান অনেক। আর ভুয়ারা দেশটাকে লুটেপাটে খাচ্ছে। জাগুন, নেত্রী, হে বঙ্গকন্যা জেগে উঠুন। হুংকার দিয়ে বলে উঠুন, রাজাকার, স্বৈরাচার, খুনিরা, তোরা দুর হ। দেশটাকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের আদর্শে আমি গড়বোই গড়বো। জননেত্রী, হে বঙ্গকন্যা, একবার সাহস করুন, আপনার চারপাশে রয়েছে কোটি কোটি মুজিব ভক্ত। তারা মাথা চারা দিয়ে উঠবে। এদেশে মুজিববাদের প্রতিষ্ঠা পাবেই পাবে। মার্কসবাদ, লেলিনবাদের পরে আমরা চাই, পৃথিবীর ইতিহাসে মুজিববাদের প্রতিষ্ঠা হউক। ষড়যন্ত্রকারীদের হটিয়ে দিন। বাংলাদেশকে আবারও স্বাধীন করুন।
মাননীয় নেত্রী কিছুতেই মন ভরছেনা, ডিজিটাল বাংলাদেশে, কিছুতেই মন ভরছেনা, যখন দেখি আপনার চারপাশে খুনিদের আনাগোনা।
আমার দাদা ৯০ বছর বয়সে মারা গিয়েছিলেন। তিনি মৃত্যুর আগেও বারবার বলতেন, "আরে শেখের বেটি কেমন আছে?" দাদা জানের কবরের পাশে গিয়ে বলতে পারিনা, শেখের বেটির চারপাশে শেখের খুনিরা, ষড়যন্ত্রকারীরা ঘুরঘুর করছে। শেখের বেটিকে শেখের লোকজন থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে। শেখের বেটি এখন মাইকিং করে, এডভারটাইজ করে, গান গেয়ে মানুষের কাছে ভোট চাইছে!!!। এ দেশটার জন্মই হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবরের জন্য। এ দেশের কোটি মানুষ শেখের ভোটার, অনুগত। আপনাকে ভোট চাইতে হবেনা নেত্রী। বদমায়েশদের সরিয়ে দিন, ভোট গুনে শেষ করতে পারবেননা। কারণ, বাংলার মানুষ জানে, কোন রাজনৈতিক দলের জন্ম কোন আস্তাকুড়ে। আপনার স্বচ্ছতাই পারে, অন্যসব আস্তাকুড়ে জন্ম নেয়াদের আস্তাকুড়ে ছুড়ে ফেলে দিতে। গ্রাম শহরের মানুষ এখনও হায় শেখ হায় শেখ করে বিলাপ করে। জনগনের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটান প্লিজ। সংখ্যালঘুরা শেখের পাগল। কিন্তু এখন কিছুতেই বলা যাবেনা যে, এরা সবাই আপনার লোক। এরা অধিকাংশই আপনাকে ভোট দিবেনা। কারণ, তাদের চোখ খুলে গেছে। তারা বুঝতে শিখেছে যে, তারা যুগ যুগ ধরে ব্যবহার হয়েই আসছে। তারা তাদের ন্যায্য মর্যাদাটুকু পায়নি। মানুষ আপনার কাছে অর্থ চায়না, সংখ্যা লঘুরাও অর্থবিত্ত চায়না। সবাই চায় স্বিকৃতি। হটাও রাজাকার, হটাও দূর্নীতিবাজ, হটাও খন্দকার মোস্তাকের অনুসারী। বাংলার মানুষের বুকে শেখ মুজিবর রহমানের ভালোবাসা, আদর্শ আজও জাগ্রত। মুজিবকে/ বঙ্গবন্ধুকে সম্মান করতে, তার আদর্শকে বাস্তবায়ন করতে নৌকার জয় তারা আনবেই। তবে, এখনকার নৈতিকতায়, আপনার চারপাশ থেকে বদমায়েশদের দুর করতে আপনাকে মানুষ ভোট দিবেনা।
ক্ষমতার উৎস বন্ধুকের নল-সেটা ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের কথা। ক্ষমতার উৎস এদেশের পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহীনির বন্ধুকের নল জনগনের দিকে তাক করে রাখবেন না প্লিজ। ভলতেয়ারের চিরন্তন কথাটি আবারও বলছি, "আপনার মতের সাথে আমি একমত নাও হতে পারি, তবে, আপনার মত প্রকাশের জন্য আমি জীবন দিতেও প্রস্তুত"। গনমাধ্যমগুলোতে খোজ নিন, তারা কেন চাটুকারিতা করছে, এসবের মালীক কারা, সম্পাদক কারা। শক্তহাতে এসব চাটুকারদের দমন করুন। বাংলার মানুষ আপনার পাশে থাকবেই থাকবে। গনমাধ্যম যত মিথ্যা প্রচার করছে, মিথ্যা গুনগান করছে, মানুষ ততটাই বিষিয়ে উঠছে। এসব আপনারই বিরুদ্ধে অনেক বড় ষড়যন্ত্র। ষড়যন্ত্র রুখে দিন। জয় বাংলা।


"জয় হউক মানুষের, জয় হউক মানবতার।"

ছবি
সেকশনঃ রাজনৈতিক
লিখেছেনঃ আত্মা তারিখঃ 21/12/2018 07:44 PM
সর্বমোট 300 বার পঠিত
ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুণ

সার্চ