ব্যাকগ্রাউন্ড

ফেইসবুকে!

সাই-ফাই গল্প:আগামী !

দৃশ্যপট(১) : দুহাজার বত্রিশ  সাল          !
তেশরা সেপ্টেম্বর।বৃহস্পতিবার।
তখন দুপুর দু’টা বেজে উনিশ। শাহ বাগ মোড়। রোহিত মানে রোহিত চৌধুরী তার বায়োস্ক্রিনটা চেকিং দিল। হঠাৎ হুট করে টাচ লেগে চলে গেল হিষ্ট্রিতে যদিও তার দরকার ইউপি মানে আপডেট।গ্লোবাল ওয়াচে ভেসে এল রোহিত চৌধুরী,বয়স একুশ। ইনভিজিবল আর্কিটেকচার।ইউপিতে :রোড টু ডি-সি।
অপশন:হাইওয়ে।উপরের আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখল এয়ার ক্যাবের গোল বৃত্তে অনেক গুলি লাইট সিগন্যালে প্যাসেন্জার খুঁজছে।রোহিত হাসল।অথচ কিছুদিন আগে এই ইনভিজিবল ষ্টেশনটা তাদের ইউনিভার্সটি অর্থাৎ কিনা বুয়েটের শিহ্মনবীশরা ডিজাইন করেছে। প্রফেশনালদের পাওয়া যায়নি। সরকারী জুট-ঝামেলায় তাঁরা আসতে চায়না। তাঁদের সুরহ্মা কমিটি আছে এবং তাঁদের ভিজিট বেশী। সরকার তাঁদের সাথে দাম-দর করে ঠিকে থাকে। জ্ঞান নির্ভর সংবিধানিক বিধি-বিধান।
সন্ধ্য রাত সাতটা । ইলিয়েট গন্জ। পনের সিএম ভেরিয়েন্স। মার্কেট হাব।ইনভিজিবেল সাউন্ড প্যানিক ব্রান্ডিং আ থ্রিল আইসি। থ্রিল আইসি এক জাতীয় ইনহেলার। এটা ব্যবহার করলে চিন্তা শক্তির স্ফুরণ ঘটে।নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত।তারা নাইট প্রোডাক্ট ভিজিবিলিটির ব্রান্ডিং এর প্লেস খুঁজছে।ওপরের বুলেট ট্রেন গুলির গতিতে যাতায়াত অন্ধকার ছিড়ে আলোর ঝলকানি দিয়ে।
দৃশ্যপট(২):দুহাজার বত্রিশ সাল!
তেশরা সেপ্টেম্বর।বৃহস্পতিবার।
সংঘঠন অর্থাৎ যুথবদ্ধতা বড় সহিংস। তাঁর চেয়ে যে তত্ব ঘিরে যে যুথবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। এতো চিন্তা বের হচ্ছে ক্রিয়াশীল মস্তিস্কে হাই প্রোডাক্টিভিটি দিয়ে এবং এই তত্ব গুলো যখন বাস্তবে প্রয়োগ ঘটছে তখন ভাল হলে ভাল কিন্তু খারাপ হলে রহ্মা নেই।
রাত দু’টা। স্পট মাধাইয়া।ঢাকা-চট্রগ্রাম হাইওয়ে।
হাইওয়ে সুপার ওয়াগন লরির ড্রাইভাররা রেস দিয়েছে ।টার্গেট একুশ থেকে তেইশ এর লাশ ফেললে মগ বাজারে লাল পার্টি অর্থাৎ ওয়াইন টাচ পার্টি মানে একটা প্যাকেজ ওয়াইন-ট্যাবলেট সাথে ইনফিনিট সেক্স।
রোহিত কে চাপা মারার পুর্ব মুহুর্তে ইনভিজিভল পুলিশের সার্চিং ধরা পড়ল স্ক্যানে।রোহিত বেঁচে গেল!

ছবি
সেকশনঃ গল্প
লিখেছেনঃ Likhon Chowdhury তারিখঃ 16/09/2018 12:23 PM
সর্বমোট 328 বার পঠিত
ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুণ

সার্চ

সর্বোচ্চ পঠিত

এই তালিকায় একজন লেখকের সর্বোচ্চ ২ টি ও গত ৩ মাসের লেখা দেখানো হয়েছে। সব সময়ের সেরাগুলো দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন