ব্যাকগ্রাউন্ড

ফেইসবুকে!

প্রতিদন্দ্বীর -দ্বিতীয় জীবন!(সাইকোপ্যথিক গল্প)

যেবার গ্যং ওয়ার থেকে বেঁচে গেলাম তখনই বুঝলাম ওপর ওয়ালা আমার জন্য স্পেশাল কিছু রেখে দিয়েছে যা এই দুনিয়ার বাইরে আর নাই।“সে এখন মনে করত থাকল কী কী কার্যকারণ থাকতে পারে যা থেকে সে বুঝতে পারবে নিয়তি থাকে আলাদাভাবে ফেভার করছে!সেবার ঐ মডেল মার্ডারের সময় সে মেয়েটার ফাঁদে জড়িয়ে গেছিল প্রায়,সে বুঝতে পারছিল সে ভালই ধরা খেয়েছে।লিডার তার সাাম্রাজ্য হারানো ভয়ে ভীত  ছিল।যদিও সে এই ধারণা কখনই মনে আনেনি কিন্তু অমিতের  জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে বেড়ে উঠায় কিছু আঁচ করছিল আর বোকার মত অমিত মোহে অন্ধ হয়ে গেছিল যার জন্য লিডারের শকুনের মত দৃষ্টি লহ্ম করতে পারিনি। ঐ চোখের নিশানা ছিল সে কেননা বিভিন্ন ইস্যুতে লিডারের সাথে মত ভিন্ন ছিল। সর্বশেষ আনিকাকে নিয়ে চরম লুকানো আক্রোশ বা সাইলেন্ট ওয়ার সামনে চলে আসে । এতদিন যে বিরোধ পর্দার আড়াল ছিল তা নগ্ন হয়ে খোলা রাস্তায় চলে আসে। যেহেতু তার পুর্ব প্রস্তুতি ছিল না কেননা এই ঘটনা এত চরমে উঠবে তার জানা ছিলনা ফলত সে একতরফা খেলায় তার পরাজয় নিশ্চিত। কিন্তু সে জিতে গেছে ;মেয়েটার মা লিডারকে খুনী বলে মনে করছে ।আসলে মেয়েটা লিডারের অফিসের কর্মকর্তা ;সরকারী কিছু গোপন কাগজ ফাঁস হয়ে গেছে মেয়েটার মারফত যদিও মেয়েটা বুঝতে পারেনি।কিন্তু আনিকাকে খুনের আদেশটা যখন এলো সে তখন ফাঁপরে পড়ল কারণ তার সাথে আনিকার জটিল অর্থাৎ যাকে বলে কমপ্লিকেটেড সম্পর্ক আছে ;আনিকার সাথে তার পুর্ব সম্পর্কটা তার জন্য কাল হয়ে দাড়াঁল।কলেজের সে প্রণয় তার জটিল আর কঠিন সময়ে মাথা নত করে।পড়তি মডেলিং কেরিয়ারে আনিকা লিডারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যোগদান করে ;লিডার সরকারী তদবিরে তাকে নিয়োজিত করেছিল ।এই চাকরীর সুযোগটা অমিত যোগাড় করে দিয়েছিল। মেয়েটার প্রতি দুর্বলতার চেয়ে বড় বিষয় সে জানে মেয়েটার কিছু হলে সবাই অমিতকে দোষী ভাবভে কারণ আনিকা তার গার্লফেন্ড । সুতরাং সে ছাড়া মেয়েটাকে কেউ খুন করতে পারেনা। সে খুন না করুক অন্তত অমিতকে জিজ্ঞেস করলে কোন যোগ সুত্র খুজে পাওয়া যাবে। এটা হলে অমিত সামনে মেয়র ইলেকশনে নমিনেশন পাবেনা।সে ভেবে ছিল নমিনেশন না পেলেও সে আনিকাকে বাঁচাতে পারবে কিনা !না, সে সুযোগ লিডার থাকে তখন দেয়নি।সে গেমের একটা অংশ হয়ে উঠল ,সে তখন তার দৃঢ়তা বজায় রাখছিল।কিন্তু সোনার গাঁ মোড়ের সে কার এ্যকসিডেন্টে আনিকা মারা গেল।সে হাসপাতালের বেডে শুয়ে লিডারের কথা গোপন রেখে পরবর্তী মেয়র নমিনেশন বাগিয়ে নিল। আবার যেন ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে এলো।আনিকার মা যদিও লিডার কে সন্দেহের বিষয়ে নিকট জনদের বলেছিল। আনিকা নাকি প্রায় অফিস থেকে ফিরে  বলত”আমার খুব ভয় করছে মা,”সে নাকি বসের গোপন বিষয় ফাঁস করেছে।
আজ চুড়ান্ত নিশানা লিডার ;এবারও আমি বেঁচে যাব!তারপর লিডারের আসন আমার।এই আবাসনের ফ্লাটে লিডারের হার্ট এ্যটাকের মৃত বডি পাওয়া যাবে।চাইলে লিডারের মৃত্যুর ঘটনা আরও দুর্নাম আর নোংরা ভাবে ঘটাতে পারতাম কিন্তু তার সুনাম গুলো আমার পুঁজি।আমি তাঁর নিকটতম সুহৃদ ,এই সিমপেথিটা পাবলিক খাবে।
দ্বিতীয় জীবনে সব সম্ভব!তাই আমি ঋজু আর চৌকস।ব্যর্থতা দ্বিতীয় জীবনে এমন কিছু আছে যা এখনও অসম্পুর্ণ এবং আমার ভোগের বাকি।আর এই প্রতিদ্বন্দিতা আমার প্রতিযোগির আহ্বানে। সে ক্রিয়াতে যে ব্যুহ রচনা করেছে ,আমি তা ভেদ করে এগিয়ে চলেছি শুধু।নিয়তি আমাকে গ্যং ওয়ার থেকে দ্বিতীয় জীবনে আরও দুর্ধষ করে তুলেছে………….

ছবি
সেকশনঃ গল্প
লিখেছেনঃ Likhon Chowdhury তারিখঃ 29/04/2018 12:24 PM
সর্বমোট 536 বার পঠিত
ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুণ

সার্চ